রাজশাহী সারাদেশে

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে পাবনায় জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

নিজস্ব প্রতিনিধি : “দুনিয়ার মজদুর এক হও এক হও” বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি পাবনা জেলা শাখার উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে। ২৬ মার্চ বেলা ১২ টার দিকে শহরের দিলাল পুর মহল্লার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মুখে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা বের করা হয়।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও জেলার শাখার সভাপতি কমরেড জাকির হোসেনের নেতৃত্বে দলীয় লাল পতাকা নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এই দিনটিকে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যদিয়ে পালন করে দলের নেতাকর্মীরা। এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও দলের প্রয়াত সকল সদস্যদের প্রতি সম্মান জানিয়ে একমিটি নিরবতা পালন করা হয়।

বাংলাদেশের কৃষক প্রমিক জনতার তৃনমূলের অধিকার আদায়েরর বিপ্লবী সংগঠন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদেরও ছিলো অনন্য অবদান। মহান মুক্তিযুদ্ধে এই দেশের শহীদ সকল বীর সেনাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই শোভাযাত্রার আয়োজন করে দলটি। শোভাযাত্রাটি শহরে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের জেলা শাখার সভাপতি মো. আব্দুস সাত্তার, দলের পৌর শাখার সভাপতি আব্দুল রাজ্জাক, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সভাপতি রেজাউল করিম মনি, দলের সম্পাদক মন্ডলির সদস্য আব্দুল হক, দলের সদর উপজেলা শাখার সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের সভাপতি হায়দার আলী মাষ্টার, আতাইকুলা ইউনিয়নের সভাপতি মো. ওসমান গণি প্রæমুখ।

শোভাযাত্রা শেষে দলের সভাপতি কমরেড জাকির হোসেন দলের নেত্কার্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের এই স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বর্ণাঢ্য ইতিহাস রয়েছে। এই ইতিহাসের অংশীদার বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাাটির সকল প্রবীণ নেতার্কর্মীরা। আমরা স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর অতিক্রান্ত করছি। বর্তমান সরকারের সাহসী পদক্ষেপ আর দেশের উন্নয়নের সহযাত্রী আমরা। আমরা দেশের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করি। তৃণমূলের শ্রমিক, জনতা, কৃষক এই দলের সমর্থক। দেশের যেকোন ক্লান্তিকালে আমরা সবসময় রাজপথে থেকেছি। এই দেশের মৌলবাদী একটি চক্র দেশের স্বাধীনতাসংগ্রামের ইতিহাস বিশ^াস করে না। তারা আজো ধর্মের নাম করে এই দেশের রাজনৈতির স্বাভাবিক পরিস্থিতি নষ্ট করতে চায়। আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করবো কিন্তু দেশের ক্ষতি হয় এমন কাজ থেকে নিজেরা বিরত থাকবো। আগামী দিনে দেশের স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তির সাথে একত্রীত হয়ে সকল অপশক্তিকে রুখে দেয়া হবে বলে সকলকে একসাথে থাকার তিনি আহবান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *